ডেক্স রিপোর্টঃ
জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ শাকিল আহম্মেদ ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। জীবন-মৃত্যুর সেই সংকটময় মুহূর্ত থেকে শুরু করে দীর্ঘ চিকিৎসাজীবনের অভিজ্ঞতা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তুলে ধরেছেন তিনি।
গুলিবিদ্ধ হওয়ার মুহূর্তের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে শাকিল বলেন, গুলিটি ওপরের দিক থেকে আসে বলে তার মনে হয়েছিল। তার ভাষ্য, তখন তিনি নিশ্চিত ছিলেন যে আর বেঁচে ফিরতে পারবেন না। আহত অবস্থায় উদ্ধারকারীদের কাছে তিনি শুধু তার মায়ের ফোন নম্বরটি বলতে পেরেছিলেন।
একাধিক অস্ত্রোপচার, এখনও চলছে চিকিৎসা
সাক্ষাৎকারে শাকিল জানান, গুলিটি তার কোমরের এক পাশ দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে অন্য পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। এতে তার মল ও মূত্রত্যাগের পথ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তিনি বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে থাইল্যান্ডে নেওয়া হয়, যেখানে তার আটটি অস্ত্রোপচার করা হয়। নবম অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসকেরা স্বাভাবিকভাবে শারীরিক কার্যক্রম ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেন। তবে কাঙ্ক্ষিত ফল না আসায় বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতির ব্যবস্থা করা হয়, যা এখনও চলমান রয়েছে।
শাকিল আরও জানান, দেড় বছরেরও বেশি সময় তাকে বিশেষ চিকিৎসা-ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে দৈনন্দিন জীবনযাপন করতে হয়েছে।
স্থায়ী শারীরিক জটিলতার কথা জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা
শাকিলের ভাষ্য অনুযায়ী, চিকিৎসকেরা তাকে জানিয়েছেন, গুলির আঘাতে তার পায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ক্ষতি পুরোপুরি সারিয়ে তোলা সম্ভব নয় এবং এর প্রভাব তাকে দীর্ঘমেয়াদে বহন করতে হতে পারে।
জুলাই আন্দোলনে হতাহত
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে ৮৪৩ জন নিহত এবং ১৪ হাজার ৩৬৭ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে অনেকে হাত, পা বা চোখ হারিয়ে স্থায়ী শারীরিক প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়েছেন।
মোড়েলগঞ্জে গ্রাম স্বাস্থ্য দলের সাধারণ সভা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় নতুন কর্মপরিকল্পনা
