যাত্রাবাড়ী থানা প্রতিনিধিঃ
মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার থেকে পদ্মা সেতুমুখী এক্সপ্রেসওয়ের নিচে বিক্রমপুর প্লাজাকে ঘিরে গড়ে ওঠা জুরাইন বাজার একদিকে যেসন ব্যস্ত নগর জীবন, অন্যদিকে তেমনি দীর্ঘ দিনের নাগরিক বঞ্চনার প্রতিচ্ছবি। ওপর দিয়ে ছুটে চলছে এক্সপ্রেসওয়ে, নিচে বসবাস হাজারো মানুষের; কিন্তু সামান্য পশ্চিমে জুরাইন রেলগেট পার হলেই রাজধানীর চেহারা যেন বদলে যায়।
স্থানীয়দের ভাষায়, জুরাইন এখন রাজধানীর এক অবহেলিত ‘যন্ত্রণার দ্বীপ’। বছরের পর বছর জলাবদ্ধতা, ভাঙাচোরা সড়ক, সুপেয় পানির সংকট, গ্যাসের স্বল্পতা এবং বিদ্যুৎ সমস্যার মধ্যে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ জুরাইনবাসীর।
১০-১২ বছরেও উন্নয়ন হয়নি ড্রেনেজ ব্যবস্থার
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) অন্তর্ভুক্ত এই ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত ১০-১২ বছরেও ড্রেনেজ ব্যবস্থার কার্যকর উন্নয়ন হয়নি। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাঘাট তলিয়ে যায়, কোথাও কোথাও দিনের পর দিন পানি জমে থাকে। এতে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় বলে জানান তাঁরা।
খানাখন্দে ভরা সড়ক, গ্যাস-পানির সংকটও নিত্যসঙ্গী
এলাকাবাসীর দাবি, অনেক সড়ক দীর্ঘদিন ধরে খানাখন্দে ভরা থাকলেও সংস্কারের উদ্যোগ চোখে পড়ে না। পাশাপাশি তিতাস গ্যাসের স্বল্প চাপের কারনে রান্নাবান্নায় ভোগান্তি এবং সুপেয় পানির সংকটও নিত্যদিনের বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দ্রুত কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপের দাবি বাসিন্দাদের
দ্রুত কার্যকর ড্রেনেজ সংস্কার, টেকসই সড়ক উন্নয়ন এবং গ্যাস-পানি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী জুরাইনবাসী।
আরও পড়ুনঃ ডিমলায় তুহিন বাঁধ সড়কের নির্মাণকাজে অনিয়মের প্রতিবাদে মানববন্ধন
নীলফামারীতে শিশু ধর্ষণের দায়ে দাদাতুল্য ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড