ডেক্স রিপোর্টঃ
ড, মোহাম্মদ ইউনুস বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকার থাকাকালীন গুঞ্জন ওঠে তার প্রতিষ্ঠান “গ্রামিন কল্যান” এর ছয়শত ছেষট্টি কোট টাকা কর মৌকুফ করে দেওয়া হয়েছে। যা নিয়ে তখন ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা হতে দেখা যায়। কিন্তু ক্ষমতা ছাড়ার পর এবার প্রথম বারের মতো প্রকাশ্যে এলো আসল ঘটনা।
চলতি বছরের জুনে ড. ইউনুসের আইনজীবি জানান, ড. ইউনুসের কর ফাঁকির অভিযোগের ৬৬৬ কোটি টাকা মওকুফ করা হয়নি। বরং মামলাটির নতুন করে শুনানী শুরু হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট একটি রায়ে ড. ইউনুসের প্রতিষ্ঠান গ্রামিন কল্যানকে ছয়শত ছেষট্টি কোটি টাকা দিতেই হবে বলে উল্লেখ করেন।
এখন প্রশ্ন হলো যদি গ্রামীন কল্যান এই অর্থ পরিশোধ না করেন তাহলে কি হবে? এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি জানিয়েছেন, অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক একাউন্ড ফ্রিজ করা, সম্পত্তি এটাচ করা সহ বেশ কিছু পদক্ষেপের কথা ইনকাম ট্যাক্স অর্ডিনেন্স এবং ইনকাম ট্যাক্স এক্টে বলা আছে। সেগুলো দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কতৃক প্রয়োগ করা যাবে।
এদিকে বৃহস্পতিবারে হাইকোর্ট কতৃক প্রদত্ত এই রায় সম্পর্কে ড. ইউনুসের আইনজীবি বলেন “আজকে একটা সংক্ষিপ্ত রায় দিয়েছেন। আমরা যখন পূর্নাঙ্গ রায় পাব তখন আমরা এ্যাপিলেড ডিভিশনে লিভ টু আপিলে যাব।
আরও পড়ুনঃ নীলফামারীতে সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
সোনারগাঁয়ে সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা পাঁচ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
