বিশেষ প্রতিনিধিঃ
নীলফামারী জেলায় গত আট মাসে ১৮ জন সনাতনী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে একটি মানবাধিকার সংগঠন সংবাদ সম্মেলন করেছে। শুক্রবার সকালে নীলফামারীর কেন্দ্রীয় শ্রী শ্রী শিব মন্দির কালেক্টরেট চত্বরে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
হিউম্যান রাইটস কংগ্রেস ফর বাংলাদেশ মাইনরিটিজ (এইচআরসিবিএম) নামের একটি মানবাধিকারভিত্তিক বেসরকারি অরাজনৈতিক সংস্থা এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কো-অর্ডিনেটর আশীষ কুমার অঞ্জন, কনভেনার অ্যাডভোকেট লাকী বাছাড়, কক্সবাজারের কো-অর্ডিনেটর রানা প্রতাপ দে, সোশ্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক ফোরামের আহ্বায়ক বাবু জুয়েল রায় সহ আরও অনেকে।
জলঢাকায় সবচেয়ে বেশি ঘটনার অভিযোগ
কনভেনার অ্যাডভোকেট লাকী বাছাড় তাঁর লিখিত বক্তব্যে বলেন, নীলফামারী জেলায় চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত এই আট মাসে ব্যক্তিগত নিরাপত্তাহীনতা, হুমকি, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, মন্দির ও ধর্মীয় স্থাপনা সংক্রান্ত সমস্যা, চুরি, হামলা ও অন্যান্য সহিংসতা সহ সনাতনী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের ওপর সহিংসতার ১৮টি ঘটনা ঘটেছে বলে তাঁরা অভিযোগ করেন। এর মধ্যে শুধু জলঢাকা উপজেলায় আটটি ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি।
সংগঠনটির দাবি ও সুপারিশ
সংগঠনটির পক্ষ থেকে সরকারের কাছে নিরপেক্ষ জুডিশিয়াল কমিশন গঠন করে নির্যাতনের ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ ও জরুরি তদন্তের দাবি জানানো হয়। তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করে দ্রুত বিচারে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া, ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা, পুনর্বাসন ও আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া এবং ট্রানজিশনাল জাস্টিস বাস্তবায়নেরও জোরালো দাবি জানান সংগঠনের নেতারা।
আরও পড়ুনঃ সোনারগাঁয়ে সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা পাঁচ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
অনুমোদন ছাড়াই ‘মেডিকেল কলেজ’ পরিচয় ব্যবহারের অভিযোগ প্রো-অ্যাকটিভ হাসপাতালের বিরুদ্ধে
